সুন্দরবনের দস্যুতা দমনে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে কোস্ট গার্ড
প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ১৭:৪৫ | অনলাইন সংস্করণ
আমার বার্তা অনলাইন:

অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড; সুন্দরবনের দস্যুতা দমনে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে কোস্ট গার্ড। রোববার (০৩ মে) বিকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় সুন্দরবন অঞ্চলে সক্রিয় সকল বনদস্যুর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এর অংশ হিসেবে কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” এবং “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ ৩ মে ২০২৬ তারিখ রবিবার কোস্ট গার্ড, নৌ-বাহিনী, পুলিশ ও র্যাবের সমন্বয়ে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় একটি যৌথ টহল পরিচালনা করা হয়। এছাড়াও, সুন্দরবনের সাথে সম্পৃক্ত ও এর উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গদের মাঝে বনদস্যু সম্পর্কে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সুন্দরবনের ভেতরে ও আশপাশের নদী ও খালে কোস্ট গার্ডের নজরদারি পূর্বের তুলনায় বহুলাংশে বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলশ্রুতিতে এসকল এলাকায় বনদস্যুতা ব্যাপক হারে হ্রাস পেয়েছে।
উল্লেখ্য, কোস্ট গার্ডের নিয়মিত অভিযানে গত এক বছরে করিম শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ, দুলাভাই ও আসাবুর বাহিনী সহ বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর সর্বমোট ৪০ জন সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ৪৩ টি দেশী-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ রাউন্ড তাজা গোলা, ১৮৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২৯৯ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ২ টি হাতবোমাসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করাসহ ডাকাত বাহিনীর কয়েকটি আস্তানা শনাক্ত করে সেগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, ৩৭ জন জেলে, ২ জন পর্যটক এবং ১ জন রিসোর্ট মালিককে উদ্ধার করে তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করতে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত রাখবে।
আমার বার্তা/এমই
