যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় চালক ও ১১ যাত্রীর সবাই নিহত

প্রকাশ : ১৫ জুন ২০২৬, ১২:০২ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

যুক্তরাষ্ট্রের মিজৌরি অঙ্গরাজ্যের বাটলার শহরে বিমান দুর্ঘটনাস্থলে কাজ করছেন অগ্নিনির্বাপণকর্মীরা। ভিডিও থেকে নেওয়া স্থিরচিত্র

যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের বাটলার শহরে এক ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় চালক এবং ১১ জন যাত্রীর সবাই নিহত হয়েছেন। নিহত যাত্রীরা সবাই স্কাইডাইভার বা শৌখিন প্যারাট্রুপার ছিলেন।

বিমানটি ছিল একটি ছোটো আকারের বেসরকারি উড়োজাহাজ। গতকাল রোববার স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ২০ (বাংলাদেশ সময় রোববার রাত ১০টা ২০) মিনিটে বাটলার শহরের বিমানবন্দর বাটলার মেমোরিয়াল এয়ারপোর্টের অদূরে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন উড়োজাহাজটির মালিক প্রতিষ্ঠান স্কাইডাইভ কানসাস সিটি।

বাটলার শহরটি মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের বেটস জেলা বা কাউন্টির অন্তর্গত। বেটস জেলা জরুরি পরিষেবা ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক এবং বাটলার মেমোরিয়াল এয়ারপোর্টের ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজার ডেনিস জ্যাকব রয়টার্সকে বলেন, উড়োজাহাজটি ছিল এক ইঞ্জিনের টার্বোপ্রপ প্লেন। বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকে উড্ডয়নের কয়েক মিনিটের মধ্যে উড়োজাহাজটিতে গুরুতর গণ্ডগোল শুরু হয়।

“বিমানটি ওপরে উঠতে পারছিল না। কয়েক সেকেন্ড আকাশে ভারসাম্যহীনভাবে দোদুল্যমান থাকার পর হঠাত সেটি বাম দিকে তীব্র বেগে নিচে নামতে শুরু করে মাটিতে নামার পরেই বিস্ফোরণ ঘটে। চালক এবং যাত্রীদের সবাই ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন”, রয়টার্সকে বলেন ডেনিস জ্যাকব।

যে স্থানে বিমানটি ভূপাতিত হয়েছে, সেখান থেকে বিমানবন্দরের রানওয়ের দূরত্ব মাত্র ২৭৪ মিটার। যুক্তরাষ্ট্রের সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক নিয়ন্ত্রক সংস্থা ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ধ্বংস হওয়া উড়োজাহাজটি ছিল মার্কিন কোম্পানি প্যাসিফিক অ্যারোস্পেসের তৈরি একটি ৭৫০ এক্সেল বিমান। এটি ছিল আকারে ছোটো এবং ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহারের উপযোগী একটি উড়োজাহাজ।

উড়োজাহাজের কোন ত্রুটির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল— তা জানতে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে এনটিএসবির বিবৃতিতে। আরও বলা হয়েছে যে নিহতদের সবার নাম-পরিচয় শনাক্ত হয়েছে এবং তাদের আত্মীয়-স্বজনকে দুর্ঘটনার কথা অবহিতও করা হয়েছে।  

মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের গভর্নর মাইক কেহোয়ে নিহতদের পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের প্রতি গভীর শোক জানিয়েছেন। - সূত্র : রয়টার্স


আমার বার্তা /জেএইচ