পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রকাশ : ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৪:৩৫ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচি। ছবি: মন্ত্রণালয়

পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসকক্ষে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচি।

মন্ত্রী বলেন, ‘জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু ও অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। দেশটি জাইকার মাধ্যমে মেট্রোরেল ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণসহ বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে। জাপানের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জাপান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক সেফটি নিয়ে কাজ করেছে। ভবিষ্যতে পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপান সহযোগিতা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে আমাদের পক্ষ থেকে কয়েকটি উপযুক্ত প্রস্তাব দেওয়া হবে।’

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, পুলিশ পুনর্গঠন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীকে তাঁর নতুন পোর্টফোলিওতে দায়িত্ব পালনের জন্য অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক সেফটি প্রজেক্টটি গত বছর শেষ হয়েছে। আমরা পুলিশ ও ডিএমপির সঙ্গে আরও কাজ করতে আগ্রহী।’

চলতি বছর হলি আর্টিজান হামলার ১০ বছর পূর্তি হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশে অবস্থানরত জাপানি নাগরিকদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জাপানি বিনিয়োগকারী-ব্যবসায়ীসহ বাংলাদেশে বসবাসরত সব জাপানি নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত। জাপানের পক্ষ থেকে যেকোনো অনুরোধ আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করব।’

বৈঠকে আরও ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্ম সচিব রেবেকা খান, জাপান দূতাবাসের প্রথম সচিব (পলিটিক্যাল) কোমিনে কেন, প্রথম সচিব (ইকোনমিক) মোচিদা ইউটারো।


আমার বার্তা/এমই