জামায়াত জুলাই সনদের এক অংশ লঙ্ঘন করে অন্য অংশ বাস্তবায়নের জন্য চিল্লাচ্ছে

প্রকাশ : ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৭:৫০ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জুলাই সনদের একটি অংশ লঙ্ঘন করেছে, আরেকটি অংশ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়নের জন্য তারা চিল্লাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

সম্প্রতি জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জুলাই সনদের কিছু বিষয় থেকে সরকার দূরে সরে যাচ্ছে কী না এমন প্রশ্নে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জুলাই সনদের প্রতিটি প্যারাগ্রাফ ধরে এগিয়ে যাচ্ছি। জুলাই সনদের ২২ নম্বর ক্রমিকে (জাতীয় সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির পদ্ধতি) আছে, নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো কমপক্ষে ৫ শতাংশ নারী প্রতিনিধি মনোনয়ন দেবে। এটি জুলাই সনদের ৬(ক) অনুযায়ী, সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে বাস্তবায়নযোগ‍্য। তা সত্ত্বেও বিএনপি যতটা সম্ভব দক্ষ নারী প্রার্থী দেওয়ার চেষ্টা করেছে। জামায়াতে ইসলামী কি এটা মেনেছে? তারা (জামায়াত) তো জুলাই সনদের ২২ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছে।’

তিনি বলেন, ‘জামায়াত এবং তাদের জোট ৫ শতাংশ নারী প্রার্থীর বিষয়ে কোনো নোট অব ডিসেন্ট দেয়নি। অথচ একজন নারীকেও জাতীয় নির্বাচনে তারা প্রার্থী করেনি। জুলাই সনদের একটা অংশ তারা লঙ্ঘন করেছে, আরেকটি অংশ নিয়ে তারা এইটা চাই বলে চিল্লাচ্ছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী জুলাই সনদের আলোকে ডেপুটি স্পিকারের পদটা তাদের (বিরোধী দল) দেওয়ার জন্য অফার করেছিলেন। তারা নিল না। তাহলে আমরা জুলাই সনদ মানলাম নাকি ওনারা জুলাই সনদ মানলেন না—এ রকম অসংখ্য উদাহরণ দিতে পারব।’


বিরোধীদল সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে ভ্রান্ত ব্যাখ্যা দিচ্ছে অভিযোগ করে মো. আসাদুজ্জামান আরও বলেন, ‘প্রথমত, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের কথা বলা হয়েছে জুলাই আদেশের মাধ্যমে। দ্বিতীয়ত, আইনি ভিত্তি পোক্ত করার জন্য গণভোট অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। জুলাই আদেশ এবং গণভোট অধ‍্যাদেশ—এই দুটি বিষয় অবিকল আইনের মতো মনে হলেও কোনোটাই সাংবিধানিকভাবে বৈধ আইন নয়। এই দুটি তথাকথিত আইন পড়লে দেখবেন, এগুলো সংবিধান সংশোধনের শামিল, যা আমাদের বিদ‍্যমান সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার বাইরে—এই ক্ষমতা শুধু সংসদের।’


আমার বার্তা/এমই