র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান
প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১২:১৩ | অনলাইন সংস্করণ
আমার বার্তা অনলাইন

‘এশিয়ার নোবেল’ হিসেবে পরিচিত র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের রুনা খান। তিনি বেসরকারি সংস্থা ফ্রেন্ডশিপ–এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক। রুনা খানের সঙ্গে এবার আরও দুই ব্যক্তি এই পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁরা হলেন—সিঙ্গাপুরের টমি কোহ ও মিয়ানমারের বো চি।
সোমবার ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন ২০২৬ সালের পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
র্যামন ম্যাগসাইসাই ফিলিপাইনের সপ্তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তাঁর নামে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। তিনি ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ এক মর্মান্তিক উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় মারা যান। একই বছর র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫৮ সালে এ পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।
৩১ আগস্ট র্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের জন্মদিন। এবার তাঁর ১১৯তম জন্মবার্ষিকী। প্রতিবছরের ৩১ আগস্ট তাঁর জন্মদিনে ম্যানিলা থেকে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
২০২৬ সালের র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পাওয়া তিন ব্যক্তিছবি: র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফেসবুক পেজ থেকে
২০২৬ সালের র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পাওয়া তিন ব্যক্তিছবি: র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফেসবুক পেজ থেকে
এবার এ পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে এবার ৬৮তম র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। এই উৎসবের সমাপনীপর্বে আগামী ১৫ নভেম্বর ম্যানিলার মেট্রোপলিটন থিয়েটারে পুরস্কারজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।
র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের ভাষ্য, ২০২৬ সালের পুরস্কারজয়ীদের এমন কাজের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে, যা ম্যাগসাইসাইয়ের নেতৃত্বের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা চিরস্থায়ী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটায়। এর মধ্যে রয়েছে অন্যের সেবায় নিয়োজিত থাকা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা এবং মানুষকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই গড়ে নিতে সহায়তা করা।
২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার দেওয়া হতো মোট ছয় শ্রেণিতে। সেগুলো হলো—সরকারি সেবা, জনসেবা, সামাজিক নেতৃত্ব, সাংবাদিকতা-সাহিত্য-সৃজনশীল যোগাযোগকলা, শান্তি ও আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া এবং উদীয়মান নেতৃত্ব।
২০০০ সাল থেকে উদীয়মান নেতৃত্ব শ্রেণিতে পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়। ফোর্ড ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় এই শ্রেণীর পুরস্কার প্রবর্তিত হয়। ২০০৯ সাল থেকে শুধু এই ‘উদীয়মান নেতৃত্ব’ ছাড়া আর কোনো সুনির্দিষ্ট শ্রেণির মধ্যে আবদ্ধ নেই পুরস্কারটি।
আমার বার্তা /জেএইচ
