ই-পেপার রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩

দুই হাজার বেডের চাহিদা আছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ক্যান্সার রিসার্চ এন্ড হসপিটালে

আমার বার্তা অনলাইন:
২৮ জুন ২০২৬, ১৭:২৯

ডা. মোঃ মোস্তফা আজিজ সুমন

ডিরেক্টর

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ক্যান্সার রিসার্চ এন্ড হসপিটাল

ডা. মোঃ মোস্তফা আজিজ সুমন বাংলাদেশের ক্যান্সার চিকিৎসা ও গবেষণা অঙ্গনের একজন বিশিষ্ট চিকিৎসক, দক্ষ স্বাস্থ্য প্রশাসক এবং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন একজন স্বাস্থ্যসেবাকর্মী। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি চিকিৎসা, গবেষণা, শিক্ষা এবং প্রশাসনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে দেশের স্বাস্থ্যখাতে একটি বিশেষ অবস্থান তৈরি করেছেন। বর্তমানে তিনি জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দেশের ক্যান্সার চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন, আধুনিকায়ন ও স¤প্রসারণে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এমবিবিএস, এমডি এবং এমসিপিএস (রেডিয়েশন অনকোলজি) ডিগ্রিধারী এই চিকিৎসক তার কর্মজীবনের শুরু থেকেই ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসা ও সেবাকে নিজের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন। রেডিয়েশন অনকোলজি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে তিনি বহু বছর ধরে অসংখ্য রোগীর চিকিৎসা প্রদান করেছেন এবং আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মাধ্যমে রোগীদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। চিকিৎসা পেশার প্রতি তার নিষ্ঠা, রোগীদের প্রতি আন্তরিকতা এবং পেশাগত দক্ষতা তাকে চিকিৎসক সমাজে একটি সম্মানজনক অবস্থানে অধিষ্ঠিত করেছে। ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের চিকিৎসায় তিনি সবসময় রোগীকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিকে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং বিশ্বাস করেন যে একজন রোগীর শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি মানসিক সাহস ও ইতিবাচক মনোভাবও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই কারণে রোগীদের সঙ্গে তার সম্পর্ক শুধুমাত্র চিকিৎসক ও রোগীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তিনি একজন সহানুভূতিশীল পরামর্শদাতা হিসেবেও পরিচিত। চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন গবেষণা কার্যক্রমেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। রেডিয়েশন থেরাপির কার্যকারিতা, ক্যান্সারের আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং রোগীদের চিকিৎসা ফলাফল নিয়ে তার আগ্রহ ও গবেষণামূলক কাজ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি বিশ্বাস করেন যে গবেষণাই চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি এবং গবেষণার মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তব চিকিৎসা ব্যবস্থায় প্রয়োগ করলেই রোগীরা সর্বোচ্চ উপকার পেতে পারেন। একজন শিক্ষক হিসেবেও তার অবদান প্রশংসনীয়। তিনি নতুন প্রজন্মের চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ প্রদান, অনকোলজি বিষয়ে জ্ঞান বিস্তার এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বহু চিকিৎসক বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সবসময় চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা এবং রোগীর প্রতি দায়বদ্ধতার শিক্ষা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। স্বাস্থ্য প্রশাসক হিসেবে ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন তার দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বগুণের মাধ্যমে বিশেষ সাফল্য অর্জন করেছেন। জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে তিনি চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, গবেষণা কার্যক্রম স¤প্রসারণ এবং রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম প্রধান ক্যান্সার চিকিৎসা ও গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। তিনি মনে করেন যে দেশের প্রতিটি ক্যান্সার রোগীর জন্য মানসম্মত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এবং এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি ও বেসরকারি সকল অংশীজনকে একযোগে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশে ক্যান্সারের প্রকোপ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়টিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি ক্যান্সার প্রতিরোধ, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদান করেছেন। তার মতে, সময়মতো রোগ নির্ণয় করা গেলে অনেক ক্ষেত্রেই ক্যান্সার সফলভাবে চিকিৎসা করা সম্ভব। ব্যক্তিগত জীবনে ডা. মোঃ মোস্তফা আজিজ সুমন একজন সৎ, বিনয়ী, কর্মনিষ্ঠ এবং মানবিক মানুষ হিসেবে পরিচিত। সহকর্মী, শিক্ষার্থী এবং রোগীদের কাছে তিনি একজন অনুপ্রেরণার নাম। চিকিৎসা পেশার প্রতি তার গভীর অঙ্গীকার, মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা এবং দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে তার নিরলস প্রচেষ্টা তাকে বাংলাদেশের ক্যান্সার চিকিৎসা ও গবেষণা অঙ্গনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে। একজন চিকিৎসক, গবেষক, শিক্ষক এবং প্রশাসক হিসেবে তার বহুমাত্রিক অবদান দেশের স্বাস্থ্যসেবার ইতিহাসে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের ক্যান্সার চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার ক্ষেত্রে তার নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সম্প্রতি তিনি আমার বার্তাকে একটি সাক্ষাৎকার দেন।

আমার বার্তা: বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যান্সার রোগের প্রকোপ যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, আপনি এ পরিস্থিতিকে কীভাবে মূল্যায়ন করেন?

ডা. মোঃ মোস্তফা আজিজ সুমন: বাংলাদেশে ক্যান্সার বর্তমানে একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আগে সংক্রামক রোগগুলো আমাদের প্রধান উদ্বেগের বিষয় ছিল, কিন্তু জীবনযাত্রার পরিবর্তন, পরিবেশগত দূষণ, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার এবং মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। প্রতি বছর দেশে বিপুল সংখ্যক নতুন ক্যান্সার রোগী শনাক্ত হচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রেই রোগটি এমন পর্যায়ে ধরা পড়ে যখন চিকিৎসা জটিল হয়ে যায়। আমি মনে করি, ক্যান্সার মোকাবিলায় শুধু হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসা যথেষ্ট নয়, বরং প্রতিরোধ, সচেতনতা, স্ক্রিনিং এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। সরকার, চিকিৎসক সমাজ, গণমাধ্যম এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারি।

আমার বার্তা: ক্যান্সার চিকিৎসায় রেডিয়েশন অনকোলজির গুরুত্ব কতটুকু এবং বাংলাদেশে এ খাতের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?

ডা. মোঃ মোস্তফা আজিজ সুমন: ক্যান্সার চিকিৎসার তিনটি প্রধান স্তম্ভ হলো সার্জারি, কেমোথেরাপি এবং রেডিওথেরাপি। বিশ্বের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ ক্যান্সার রোগী তাদের চিকিৎসার কোনো না কোনো পর্যায়ে রেডিওথেরাপির প্রয়োজন অনুভব করেন। রেডিয়েশন অনকোলজি এমন একটি বিশেষায়িত চিকিৎসা পদ্ধতি যা ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করতে বা তাদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে এই খাতে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়েছে। আধুনিক লিনিয়ার অ্যাক্সিলারেটর, উন্নত পরিকল্পনা ব্যবস্থা এবং দক্ষ জনবল তৈরির ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে। তবে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর তুলনায় এখনো পর্যাপ্ত সংখ্যক রেডিওথেরাপি কেন্দ্র গড়ে ওঠেনি। আমি মনে করি, আগামী দিনে এই খাতে আরও বিনিয়োগ এবং প্রশিক্ষিত মানবসম্পদ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি।

আমার বার্তা: জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে আপনার প্রধান লক্ষ্য কী?

ডা. মোঃ মোস্তফা আজিজ সুমন: আমার প্রধান লক্ষ্য হলো এই প্রতিষ্ঠানকে একটি আন্তর্জাতিক মানের ক্যান্সার চিকিৎসা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পরিণত করা। আমরা চাই রোগীরা যেন একটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই আধুনিক ও সমন্বিত চিকিৎসাসেবা পেতে পারেন। এজন্য চিকিৎসা প্রযুক্তির আধুনিকায়ন, গবেষণা কার্যক্রম স¤প্রসারণ, চিকিৎসকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের জন্য ক্যান্সার চিকিৎসাকে আরও সহজলভ্য করার বিষয়েও আমরা কাজ করছি। ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই শুধু একটি হাসপাতালের কাজ নয়, এটি একটি জাতীয় দায়িত্ব এবং সেই দায়িত্ব পালনে আমাদের প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে চাই।

আমার বার্তা: ক্যান্সার প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের জন্য আপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ কী?

ডা. মোঃ মোস্তফা আজিজ সুমন: আমি সবসময় বলি, ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হলো সচেতনতা। অনেক মানুষ মনে করেন ক্যান্সার মানেই মৃত্যু, কিন্তু বাস্তবতা হলো প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে অনেক ক্যান্সার সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য। ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য পরিহার করা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা, নিয়মিত ব্যায়াম করা, অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে স্তন ক্যান্সার, জরায়ুমুখ ক্যান্সার এবং কোলন ক্যান্সারের মতো রোগগুলোর ক্ষেত্রে নিয়মিত স্ক্রিনিং জীবন বাঁচাতে পারে। আমি বিশ্বাস করি, সচেতন নাগরিকই একটি সুস্থ জাতি গঠনের মূল ভিত্তি।

আমার বার্তা: ক্যান্সার গবেষণার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সম্ভাবনা সম্পর্কে আপনার মতামত কী?

ডা. মোঃ মোস্তফা আজিজ সুমন: বাংলাদেশের ক্যান্সার গবেষণার সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল। আমাদের দেশে বিপুল সংখ্যক রোগী রয়েছে, যা গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যভাণ্ডার তৈরি করতে পারে। তবে গবেষণার জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত অর্থায়ন, আধুনিক ল্যাবরেটরি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং দক্ষ গবেষক। আমরা যদি গবেষণাকে আরও উৎসাহিত করতে পারি, তাহলে দেশের বাস্তবতাভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি উন্নয়ন করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা প্রকাশনার মাধ্যমে বাংলাদেশ বৈশ্বিক চিকিৎসা গবেষণার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে। আমি বিশ্বাস করি, গবেষণায় বিনিয়োগ ভবিষ্যতের উন্নত স্বাস্থ্যসেবার ভিত্তি গড়ে দেয়।

আমার বার্তা: একজন চিকিৎসক, শিক্ষক, গবেষক এবং প্রশাসক হিসেবে আপনার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে তরুণ চিকিৎসকদের জন্য কী বার্তা দিতে চান?

ডা. মোঃ মোস্তফা আজিজ সুমন: তরুণ চিকিৎসকদের আমি সবসময় বলি, চিকিৎসা পেশা শুধু একটি পেশা নয়, এটি একটি মানবিক অঙ্গীকার। একজন চিকিৎসকের হাতে একজন মানুষের জীবন ও আশা জড়িয়ে থাকে। তাই জ্ঞান অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত পড়াশোনা করতে হবে, নতুন প্রযুক্তি ও গবেষণার সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে হবে এবং রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে হবে। প্রযুক্তি যতই উন্নত হোক, একজন চিকিৎসকের মানবিক আচরণ কখনো অপ্রয়োজনীয় হয়ে যাবে না। সততা, নিষ্ঠা, পেশাগত দক্ষতা এবং মানুষের সেবার মানসিকতা একজন চিকিৎসককে প্রকৃত অর্থে সফল করে তোলে। আমি বিশ্বাস করি, আজকের তরুণ চিকিৎসকরাই আগামী দিনের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও সমৃদ্ধ ও আধুনিক করে তুলবেন।

আমার বার্তা/এমই

একদিনে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম

আদ্-দ্বীনের ভয়াবহ অব্যবস্থাপনা সংসদে প্রকাশ করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালের

এবারের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের মান অত্যন্ত ভালো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এবারের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল টিকার মান অত্যন্ত ভালো বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত

পটাশিয়াম স্বল্পতা বা হাইপোক্যলিমিয়া কেন হয় করনীয় কী

ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা মানে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম এর ঘাটতি। এই ধরনের সমস্যা হলে অনেক সময় রোগীকে
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পুলিশের ঊধ্বর্তন ২১ কর্মকর্তাকে বদলি: সিআইডিপ্রধান মোশাররফ হোছাইন

জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড নিয়ে সংসদে দুই দফায় বিতর্ক

লড়াই করেও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারল বাংলাদেশ

নদী থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই: পুলিশ

চীনের সহায়তায় চলতি অর্থবছরেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন

তুরাগ থেকে মরদেহ উদ্ধারের প্রচারিত তথ্য বিভ্রান্তিকর, দাবির সত্যতা নেই

বাজেটকে সাহসী উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বললেন, ‘পারফেক্ট বলে কিছু নেই’

ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৬০ জন

সবুজবাগে ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

পাঠদান ও গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে বাকৃবিতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৪০ রানেই অলআউট বাংলাদেশ

সরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা-জবাবদিহি বাড়াতে ২৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল: ক্যাডার ১৩২০ ও নন-ক্যাডারে ২০১ জন মনোনীত

একদিনে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

একজন রাইয়ান বানি ও বক্সিং নিয়ে তার স্বপ্ন...

বাজেট নিয়ে বিরোধীদলের সমালোচনা খুব একটা আমলে নিচ্ছি না: সড়কমন্ত্রী

করমুক্ত আয়সীমা ৬ লাখ টাকা করার প্রস্তাব প্রতিমন্ত্রী নুরুল হকের

আদ্-দ্বীনের ভয়াবহ অব্যবস্থাপনা সংসদে প্রকাশ করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জাহাঙ্গীরনগরের বাজেটে রাজস্ব ঘাটতি ১০০ কোটি, এবার গবেষণায় বরাদ্দ শূন্য

প্রশ্ন ফাঁসের গুজব ছড়ালে বসে থাকবো না, সরাসরি সাইবার আইনে গ্রেপ্তার