ই-পেপার শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

ইসরায়েলের ভূগর্ভস্থ কারাগারে বন্দিদের ভয়ানক নির্যাতন

আমার বার্তা অনলাইন
০৯ নভেম্বর ২০২৫, ১২:৩০

ইসরায়েলের ভয়ানক কারাগারগুলোর মধ্যে একটি হলো ‘রাকেফেট কারাগার’। এটি মূলত সামারিক বন্দিদের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এখানে বন্দিদের ওপর চালানো হয় নির্মম নির্যাতন। ভূগর্ভস্থ কারাগারটিতে কোনো প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের উৎস পর্যন্ত নেই। কারাগারে প্রবেশের পর বন্দিদের শ্বাসকষ্ট হয়। তাদের খাবার দেওয়া হয় না। এমনকি বিশ্বের কোথায় কী ঘটছে, তাও জানতে দেওয়া হয় না। গতকাল শনিবার গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

রাকেফেটে বর্তমানে ১০০ জনের মতো বন্দি রয়েছে। তবে এখন এতে বেসামরিক বন্দিও রয়েছে বলে জানতে পেরেছেন ইসরায়েলের পাবলিক কমিটি অ্যাগেইনস্ট টর্চার ইন বা পিসিএটিআইর আইনজীবীরা।

পিসিএটিআইর তথ্যমতে, কারাগারটিতে বর্তমানে দুজন বেসামরিক লোককে কোনো অভিযোগ ছাড়াই আটক রাখা হয়েছে। তাদের একজন পুরুষ নার্স (৩৪) এবং অন্যজন তরুণ খাদ্য বিক্রেতা (১৮)। গত জানুয়ারিতে তাদের এই কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়। পিসিএটিআইর আইনজীবীরা তাদের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছেন। তারা কারাগারটিতে বন্দি নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন।

কারাগারটি ১৯৮০ এর দশকের গোড়ার দিকে ইসরায়েলের সবচেয়ে বিপজ্জনক অপরাধীদের রাখার জন্য খোলা হয়েছিল। কিন্তু নিষ্ঠুর ও অমানবিক আচরণের অভিযোগ ওঠায় এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ২০২৩ সালে ৭ অক্টোবরের হামলার পর পুনরায় চালু করা হয়। গত সেপ্টেম্বরে পিসিএটিআইর আইনজীবীরা কারাগারটির ওই দুই বেসামরিক বন্দির সঙ্গে দেখা করতে সক্ষম হন।

ভয়ানক নির্যাতনের অপর নাম রাকেফেট

এই গ্রীষ্মে পিসিএটিআই আইনজীবীদের ভূগর্ভস্থ কারাগারটিতে আটক ওই দুই ব্যক্তির প্রতিনিধিত্ব করতে বলা হয়েছিল। আইনজীবী আবদু এবং তাঁর সহকর্মী মিশেরকি বারানসি প্রথমবারের মতো সেখানে যেতে সক্ষম হন। পিসিএটিআইর নির্বাহী পরিচালক তাল স্টেইনার বলেন, কারাগারটিতে বন্দিকে মাসের পর মাস ধরে দিনের আলো ছাড়াই মাটির নিচে আটকে রাখা হয়, যা বন্দির মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রচণ্ড প্রভাব ফেলে। যেখানে ২৪ ঘণ্টা মাটির নিচে আটকে থাকা যে কোনো বন্দির পক্ষে অক্ষত থাকা খুব কঠিন।

ওই দুই আইনজীবীকে যারা ভূগর্ভস্থ কারাগারে নিয়ে গিয়েছিল, তারা মুখোশধারী ও ভারী অস্ত্রসজ্জিত নিরাপত্তারক্ষী ছিল। নোংরা সিঁড়ি বেয়ে তাদের একটি কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে মেঝেতে মৃত পোকামাকড় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। টয়লেট এতটাই নোংরা ছিল, কার্যত তা ব্যবহারের অযোগ্য ছিল।

আইনজীবীরা যখন দুই বন্দির সঙ্গে কথা বলছিলেন, তখনও দেয়ালে নজরদারি ক্যামেরা চালু ছিল। রক্ষীরা তাদের সতর্ক করে দেয়, কথাবার্তায় গাজার বিষয়টি এলেই সবকিছু বন্ধ। আবদু বলেন, আইনজীবীদের কক্ষের অবস্থা যদি এত ভয়ানক হয়, তাহলে বন্দিদের কক্ষের পরিবেশ কেমন, তা বুঝতে বাকি থাকে না।

লেলিয়ে দেওয়া হয় হিংস্র কুকুর

আইনজীবীদের সঙ্গে যখন দুই বন্দির সাক্ষাৎ হলো, তখন তাদের শিকলে বাঁধা শরীর কুঁকড়ানো অবস্থায় ছিল। রক্ষীরা তাদের মাথা মাটিতে ঠেসে ধরেছিল। পিসিএটিআইর আইনজীবী মিশেরকি বারানসি বলেন, দুই বন্দি ৯ মাস ধরে রাকেফেটে ছিলেন। আইনজীবীদের দেখতে পেয়ে বন্দি নার্স জিজ্ঞাসা করেন, ‘আমি কোথায় এবং কেন আমি এখানে।’ কিন্তু রক্ষীরা তাদের কারাগারের নাম বলেনি।

বন্দিরা জানালাবিহীন কক্ষের বর্ণনা দেন, যেখানে কোনো বায়ু চলাচল নেই। একটি সংকীর্ণ কক্ষে চার বন্দিকে রাখা হয়। তাদের সবারই শ্বাসকষ্ট হয়। বন্দিদের নিয়মিত নির্মম শারীরিক নির্যাতনের মুখে পড়তে হয়। প্রতিদিন মারধর করা হয়। হিংস্র কুকুর তাদের ওপর লেলিয়ে দেওয়া হয়। আহতদের চিকিৎসা হয় না। ওই নার্স শেষবারের মতো সূর্যের আলো দেখেন এ বছরের ২১ জানুয়ারি। অন্য বন্দি আবদুকে জিজ্ঞাসা করেছিল, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী কি নিরাপদে সন্তান প্রসব করেছে? তখন প্রহরী তাকে হুমকি দেয় এবং তৎক্ষণাৎ কথোপকথন বন্ধ করে দেয়।

আমার বার্তা/জেএইচ

ইসরায়েলি ‘দোসর’ ইয়াসের আবু সাবাব নিহত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ইসরায়েলপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী পপুলার ফ্রন্টের প্রধান নেতা ইয়াসের আবু সাবাব নিহত

অ-আরব দেশে নিজ নেতাদের ওপর হামলার শঙ্কা ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর

অ-আরব দেশে নিজেদের নেতাদের লক্ষ্য করে দখলদার ইসরায়েল হামলা চালাতে পারে বলে শঙ্কা করছে ফিলিস্তিনি

গাজা যুদ্ধবিরতি দ্বিতীয় ধাপ শুরুর ঘোষণা দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও দখলদার ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ আগামী দুই সপ্তাহের

আরও ৩০ দেশের নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র আরও ৩০ দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন হোমল্যান্ড
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে না ভারত: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

ইসরায়েলি ‘দোসর’ ইয়াসের আবু সাবাব নিহত

অ-আরব দেশে নিজ নেতাদের ওপর হামলার শঙ্কা ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর

তরুণরা সবসময় ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে

আরাকান আর্মির হাতে আটক আরও ৬ বাংলাদেশি জেলে

আইএল টি-টোয়েন্টি খেলতে দেশ ছাড়লেন মোস্তাফিজ

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাসচাপায় নিহত ৩, আহত ৪

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা

৫০তম বিসিএসে আবেদন শুরু, বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশনা পিএসসির

সীমান্তে ভারতীয় এক নারীর মরদেহ দেখার সুযোগ পেয়েছেন বাংলাদেশি স্বজনরা

মালয়েশিয়ায় রেলিং ভেঙে নিচে পড়ে বাংলাদেশি কর্মীর মৃত্যু

গাজা যুদ্ধবিরতি দ্বিতীয় ধাপ শুরুর ঘোষণা দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

আন্দোলনকারী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের কাজে ফেরার নির্দেশ

বিপিএলে চট্টগ্রামের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন হাবিবুল বাশার

বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ারে জুবাইদা রহমান

দুই দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৩০-৩৫ টাকা

ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন জোবাইদা রহমান

ঢাকায় আসছেন তার পুত্রবধূ জোবাইদা রহমান

আরও ৩০ দেশের নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা পেছাল, আজ আসছে না এয়ার অ্যাম্বুলেন্স