
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সিজারের পর প্রসূতি নারীর মৃত্যুর ঘটনায় ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেই তদন্ত কমিটি নিয়ে জনমনে ও সচেতন নাগরিক মহলে শুরু হয়েছে সমালোচনার ঝড়। প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় রবিবার সকালে ক্ষুব্ধ স্বজনরা আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়ে বিক্ষোভ করেন।
ঘটনা টি দেশ জুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়। সবচেয়ে বেশি সমালোচনা শুরু হয়, ডা. সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন কে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন নিয়ে। সচেতন মহল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেক ই জানান, তদন্ত কমিটির প্রধান যাকে দেওয়া হয়েছে ডা. দেলোয়ার হোসেন তিনি আহমেদ হাসপাতালের নিয়মিত ডাক্তার হিসেবে কাজ করেন, তিনি এই হাসপাতালে সিজার করার সময় ঘটেছে বহু ঘটনা, যা পরে অর্থ দিয়ে দামাচাপা দিয়েছেন, অনেক কে বলতে শুনা গেছে তিনি আহমেদ হাসপাতালের খুবই আস্হাশীল একজন ডাক্তার, এমন একজন ডা. কে তদন্ত কমিটির প্রধান দেওয়ায় সচেতন মহল মনে করছেন সঠিক তদন্ত হবে না তা দায় সারা তদন্ত হবে।
আহমেদ হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনা ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন এর বিষয়ে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান বলেন জেলা ও বিভাগীয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপজেলা প্রশাসন ও থানা প্রশাসনের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত যৌথ সভায় রবিবার বিকালে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়,
এ সময় তিনি আরো জানান, সভায় নবীনগর সরকারি হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক (গাইনি কনসালট্যান্ট) ডা. দেলোয়ার হোসেনকে প্রধান করে মেডিকেল অফিসার ডা. আশফিক ও ডা. পারভীন নাহারের নাম প্রস্তাব করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।তদন্ত কমিটি কে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনাটি খতিয়ে দেখে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে, প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের স্থাপনের বৈধতা, চিকিৎসা কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, শনিবার, রাতে সিজারের পর আহমেদ হাসপাতালে প্রসূতি নারীর মৃত্যু হলে রবিবার সকালে ক্ষুব্ধ স্বজনরা আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়ে বিক্ষোভ করেন এবং দায়ীদের শাস্তির দাবি জানান। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও জানা গেছে।

