
বাংলাদেশের প্রথম নারী ডিজে মারজিয়া কবির সনিকা, যিনি ডিজে সনিকা নামে পরিচিত, অর্জন করেছেন ৬ষ্ঠ বাংলাদেশ উইমেন্স ইন্সপায়রেশনাল অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬। এই সম্মাননা পাওয়ার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, এই পুরস্কার তার জন্য গর্বের এবং অনুপ্রেরণার একটি বড় স্বীকৃতি।
ডিজে সনিকা জানান, এটি শুধু তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং দেশের নারী ডিজেদের জন্যও একটি বড় স্বীকৃতি। তিনি বলেন, “প্রথম নারী ডিজে হিসেবে কাজ করা আমার জন্য গর্বের, তবে এর সাথে দায়িত্বও অনেক। আমি চাই ভবিষ্যতে আরও অনেক মেয়ে এই পেশায় এগিয়ে আসুক।”
তিনি জানান, ২০১০ সাল থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করে আসছেন এবং ইতোমধ্যে বিশ্বের ১০টি দেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ডিজে হিসেবে পারফর্ম ও উপস্থাপনা করেছেন।
ডিজে হওয়ার অনুপ্রেরণা সম্পর্কে তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই সংগীতের প্রতি তার গভীর আগ্রহ ছিল। আন্তর্জাতিক ডিজেদের পারফরম্যান্স দেখে এই পেশায় আসার স্বপ্ন দেখেন তিনি। শুরুতে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও ধৈর্য ও পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি নিজের জায়গা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।
বাংলাদেশের মিউজিক ও ডিজে সংস্কৃতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে ডিজে সনিকা বলেন, দেশে এখন তরুণদের মধ্যে ডিজে সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে এবং সঠিক সুযোগ পেলে এই ক্ষেত্রটি আরও এগিয়ে যাবে।
নতুন প্রজন্মের মেয়েদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “নিজের স্বপ্নের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে এবং নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে। পরিশ্রম ও ধৈর্য থাকলে সফল হওয়া সম্ভব।”
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে ডিজে সনিকা জানান, সামনে নতুন কিছু মিউজিক প্রজেক্ট ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের ডিজে সংস্কৃতি তুলে ধরার স্বপ্ন দেখেন।
তিনি বলেন, এই পুরস্কার পাওয়ার পর তার দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজের মাধ্যমে দেশের সংগীত অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করতে চান।

