
দক্ষিণ ভারতীয় টেলিভিশন জগতের উদীয়মান তারকা সুভাষিনীর (৩৬) আকস্মিক প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিনোদন অঙ্গনে। সোমবার (৬ এপ্রিল) চেন্নাইয়ের নীলঙ্করাই এলাকায় অবস্থিত নিজ বাসভবন থেকে এই অভিনেত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ। জন্মদিন ও বিবাহবার্ষিকীর মতো আনন্দঘন মুহূর্তগুলো আসার ঠিক আগমুহূর্তে তাঁর এমন প্রস্থান ভক্ত ও সহকর্মীদের স্তব্ধ করে দিয়েছে।
প্রাথমিক তদন্ত শেষে পুলিশের অনুমান, পারিবারিক কলহের জেরে মানসিক অবসাদ থেকে সুভাষিনী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়ে থাকতে পারেন। তবে এটি নিছক আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য লুকিয়ে আছে, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। ইতিমধ্যে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং সঠিক কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
শ্রীলঙ্কান বংশোদ্ভূত এই অভিনেত্রী গত বেশ কিছুদিন ধরে পারিবারিক নানা জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে। ঘনিষ্ঠ মহলের ধারণা, দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ ও পারিবারিক অশান্তি সইতে না পেরেই তিনি এমন চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আগামী ১২ এপ্রিল ছিল সুভাষিনীর জন্মদিন এবং ২১ এপ্রিল ছিল তাঁর দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকী। জীবনের এই বিশেষ দিনগুলো উদযাপনের বদলে তাঁর মৃত্যুসংবাদ পাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকাতুর হয়ে পড়েছেন তাঁর অনুরাগীরা।
সান টিভির ব্যাপক জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কয়াল’-এর মাধ্যমে ছোট পর্দায় অভিষেক ঘটেছিল সুভাষিনীর। অভিনয় দক্ষতায় খুব অল্প সময়েই তিনি দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন। তাঁর অকাল মৃত্যুতে তামিল টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রিতে এক বড় শূন্যতার সৃষ্টি হলো।
চেন্নাই পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে তাঁর পরিবারের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
আমার বার্তা/এমই

