
কারিগরি ত্রুটির কারণে একটি এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গ্যাস সরবরাহ প্রায় ৪০০ এমএমসিএফডি হ্রাস পেয়েছে।
জ্বালানি সংকটের মধ্যে হঠাৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও নগর এলাকাগুলোতে গ্যাসের চাপ কমে গেছে।
আজ মঙ্গলবার জরুরি এক বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড জানিয়েছে, ‘গজারিয়া, মেঘনা ঘাট, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার দক্ষিণাংশসহ সমগ্র তিতাস গ্যাস অধিভুক্ত এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করবে।’
মোট গ্যাস সরবরাহ যেখানে ২ হাজার ৬০০ এমএমসিএফডির কিছু বেশি, সেখানে একটি এফএসআরইউ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গ্যাস সরবরাহ প্রায় ১৫ শতাংশ কমে গেছে। এমন সময় গ্যাস সরবরাহ বিঘ্ন ঘটেছে, যখন আমদানি সংকোচন, সরবরাহ রেশনিং এবং গ্রীষ্মকালে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে দেশের বৃহত্তর জ্বালানি খাত সংকটে ভুগছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিপুল পরিমাণ আরএলএনজি হঠাৎ কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ ও শিল্প উৎপাদন, বিশেষত গ্যাসনির্ভর খাতে চাপ আরও বাড়তে পারে।
অভ্যন্তরীণ উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাংলাদেশ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। দেশে দুটি এফএসআরইউয়ের মধ্যে একটি ইউনিটে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে পুরো ব্যবস্থাই ঝুঁকির মুখে পড়ে।
ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনালটি কখন পুনরায় চালু হবে তা নির্দিষ্ট করে জানায়নি তিতাস গ্যাস। তবে কর্মকর্তারা ‘সাময়িক অসুবিধার’ জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ভোক্তাদের সংযতভাবে গ্যাস ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন।
আমার বার্তা/এমই

