ই-পেপার বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগে অনিয়ম পেলে পরীক্ষা বাতিল হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আমার বার্তা অনলাইন
২৯ মে ২০২৬, ১৮:৪৮

প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম-জালিয়াতির প্রমাণ হলে তা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম বা ত্রুটির অভিযোগ তদন্তে এরই মধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা ও ত্রুটি প্রমাণিত হলে পুরো পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে সম্প্রতি এক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগের জন্য নেওয়া পরীক্ষায় প্রায় ৫৩ হাজার প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন। এরমধ্যে প্রায় ১৫ হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। বর্তমানে এ পদে ১১ হাজার ১৫০টি শূন্য পদ রয়েছে এবং সেই পদগুলোতে নতুন পদ্ধতিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে পরীক্ষাটি নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে ত্রুটির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি কাজ করছে। তদন্তে যদি কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়, তাহলে পরীক্ষা বাতিল করে আবারও পরীক্ষা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে শিক্ষক নিয়োগে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হতো। সেই ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে। এখন লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিবন্ধিত শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকেই শিক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, নিবন্ধন সনদ অর্জন করলেই চাকরি নিশ্চিত হয় না। এটি কেবল একজন প্রার্থীর যোগ্যতার স্বীকৃতি। তিনি বলেন, ২০০১ সালে দায়িত্বকালেই শিক্ষক নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। বিদেশের বিভিন্ন দেশের মতো শিক্ষকতাকে একটি পেশাগত মানদণ্ডের আওতায় আনতেই এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। চিকিৎসক, হিসাবরক্ষক বা অন্যান্য পেশাজীবীদের যেমন লাইসেন্স পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জন করতে হয়, শিক্ষকতার ক্ষেত্রেও একই ধরনের মান নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অতীতে নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ব্যক্তিরা সনদ নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করতেন এবং পরিচালনা কমিটি তাদের নিয়োগ দিত। কিন্তু নিয়োগের সেই পর্যায়ে নানান ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়মের সুযোগ ছিল। বর্তমানে পরিচালনা কমিটির নিয়োগ-সংক্রান্ত ক্ষমতা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এখন শূন্য পদে সরাসরি এনটিআরসিএর মাধ্যমে শিক্ষক পাঠানো হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষক নিয়োগের পরপরই তাদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বাস্তবতার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে মন্ত্রী বলেন, বরিশালের একজন শিক্ষককে শুরুতেই চাঁদপুরের কচুয়ায় নিয়োগ দিলে নানান ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে। এজন্য শিক্ষক বদলির সুযোগ রাখা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষক বদলির পুরো প্রক্রিয়া সফটওয়্যারভিত্তিক করা হচ্ছে। এতে কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কিংবা আর্থিক লেনদেনের সুযোগ থাকবে না। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে বদলি সম্পন্ন হবে। একইভাবে স্কুলের অন্যান্য শিক্ষকদের বদলির ব্যবস্থাও এই সফটওয়্যারনির্ভর পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে।

তদবিরের সুযোগ থাকবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাস্তবে বিভিন্ন পক্ষ থেকে অনুরোধ বা তদবিরের চেষ্টা থাকতেই পারে। তবে একবার কার্যকর ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা গড়ে উঠলে কোনো তদবিরই সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারবে না। কারণ পুরো প্রক্রিয়া নির্ধারিত নিয়ম ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষক নিয়োগ, বদলি এবং প্রশিক্ষণ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনছে। একই সঙ্গে বেসরকারি শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধাও ধীরে ধীরে বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে শতভাগ বেতন সরকার দিচ্ছে। উৎসব ভাতা ৫০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে এবং চলতি বছরে আরও ১০ শতাংশ বাড়ানো হবে। পর্যায়ক্রমে উৎসব ভাতা শতভাগ করা হবে। এছাড়া চিকিৎসা ভাতা ও বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য সুবিধাও ধাপে ধাপে বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এসব সুবিধা পুরোপুরি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকদের কর্মস্থল নির্ধারণ ও বদলির ক্ষেত্রে বাস্তব পরিস্থিতিও বিবেচনায় নেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

আমার বার্তা/জেএইচ

সরকারি কলেজ-মাদ্রাসায় অধ্যাপক পদে শূন্যপদের তথ্য চেয়েছে মাউশি

সরকারি কলেজ, টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (টিটিসি) ও সরকারি আলিয়া মাদ্রাসায় বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের সহকারী

বেগম রোকেয়া পদক দিতে শিক্ষা খাতের যোগ্য নারীদের খুঁজছে সরকার

‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৬’-এর জন্য শিক্ষা খাতের যোগ্য নারীদের সন্ধান করছে সরকার। এই লক্ষ্যে শিক্ষা

বিশাল জনসংখ্যা জনসম্পদে পরিণত করতে পারেন শিক্ষকরাই: শিক্ষামন্ত্রী

আমাদের দেশের একটা বিশাল জনসংখ্যা আছে, এটি আমাদের সম্পদ এবং এটিকে জনসম্পদে পরিণত করতে পারেন

এমপিও বন্ধ হতে যাওয়া প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের তালিকা প্রকাশ

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য শূন্যপদের ভুল তথ্য জমা দেওয়ার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের বিরুদ্ধে কঠোর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্মার্ট গ্রীন সিটি গড়ার উদ্যোগ নিয়েছেন কবীর আহমেদ ভূঁইয়া

সংসদে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বকাপ ম্যাচে যে কারণে মাটিতে রাখা হয়নি সৌদি আরবের পতাকা

একদিনে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

মাদক, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাং দমনে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হঠাৎ কেন ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের জন্য টাকা নিচ্ছে মেটা

মিয়ানমারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে রোহিঙ্গা প্রত‌্যাবাসন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মাদক কারবারি, চাঁদাবাজদের গ্রেফতারের নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের

সামান্য বরাদ্দে সরকারের ২০৩০ সালের জ্বালানি রূপান্তর লক্ষ্য অসম্ভব

তিস্তায় আরেকটি ব্যারাজ নির্মাণে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

সরকারি কলেজ-মাদ্রাসায় অধ্যাপক পদে শূন্যপদের তথ্য চেয়েছে মাউশি

দেশের ৭৫টি কারাগারে ধারণক্ষমতার ১.৭ গুণ বন্দি আটক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বেগম রোকেয়া পদক দিতে শিক্ষা খাতের যোগ্য নারীদের খুঁজছে সরকার

পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য কূটনৈতিক সম্পর্কের কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষা

ব্যাটিং ব্যর্থতায় অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৫ উইকেটে হারল বাংলাদেশ

ইংলিশ চ্যানেলে রাশিয়ার গুলিবর্ষণ, বেপরোয়া বললেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

চালের দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি বর্তমানে যথেষ্ট স্থিতিশীল: বাণিজ্যমন্ত্রী

৫ বছরের মধ্যে কর জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে

স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে: তথ্যমন্ত্রী

সীমান্তে হত্যা মানবাধিকার লঙ্ঘন, বিএসএফকে জোরালো প্রতিবাদ