
বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করতে দেশটির শিক্ষাবৃত্তির পরিধি আরও বিস্তৃত করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) খাতে অস্ট্রেলিয়ার কার্যকর সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কার্যালয়ে অস্ট্রেলিয়া ও চীনের দুইটি পৃথক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।
দিনের প্রথম বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার সিটিজেনশিপ, কাস্টমস ও মাল্টিকালচারাল অ্যাফেয়ার্স এবং ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট মিনিস্টার জুলিয়ান হিলের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসে। বৈঠকে উচ্চশিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও গবেষণায় দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়।
শিক্ষায় অস্ট্রেলিয়ার অব্যাহত সহায়তার প্রশংসা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের বিপুল জনসংখ্যাকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনসম্পদে রূপান্তরে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ খাতে অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞতা ও কারিগরি সহায়তার বিপুল সুযোগ রয়েছে।
জবাবে অস্ট্রেলীয় প্রতিনিধিদল শিক্ষাসহ নানা খাতে বাংলাদেশ সরকারের সাম্প্রতিক অগ্রগতির প্রশংসা করেন।
বৈঠকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনার সুসান রাইল উপস্থিত ছিলেন।
এরপর চীনের ঐতিহ্যবাহী ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট চেন ঝিমিনের নেতৃত্বে আরেকটি প্রতিনিধিদল শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ শিক্ষা উদ্যোগের ওপর আলোচনা করা হয়।
শিক্ষামন্ত্রী দুই দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি বৃদ্ধি এবং অভিজ্ঞতা ভাগাভাগির তাগিদ দেন। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) গবেষণায় যৌথ অংশীদারিত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
এই বৈঠকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক এবং ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস ডিন ঝাং পিং উপস্থিত ছিলেন।
আমার বার্তা/এমই

