ই-পেপার সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সরকারের ৬ মাস : ১২ সূচকে স্বস্তি, ১৯টিতে গভীর শঙ্কা

আমার বার্তা অনলাইন:
২৪ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২০

বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ছয় মাসে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক চিত্রে বড় ধরনের বৈপরীত্য ফুটে উঠেছে। অর্থনীতির ৩১টি প্রধান সূচকের মধ্যে প্রবাসী আয় ও রিজার্ভসহ ১২টি খাতে অগ্রগতি অর্জিত হলেও, মূল্যস্ফীতি ও মাথাপিছু ঋণসহ বাকি ১৯টি গুরুত্বপূর্ণ সূচকে তীব্র অবনতি ও গভীর শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর একটি মিলনায়তনে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) আয়োজিত “সরকারের ছয় মাস: পারফরম্যান্স পর্যালোচনা” শীর্ষক মিডিয়া ডায়ালগে এসব তথ্য ও বিশ্লেষণ তুলে ধরেন সংস্থাটির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

সিপিডি বলছে, নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন সরকারের ১৮০ দিন বা ছয় মাস পূর্ণ হলেও দেশের অর্থনীতি কাঙ্ক্ষিত গতিতে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পেয়ে ৩ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে, রাজস্ব আদায়ে বিশাল ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং শিল্প খাতে দীর্ঘায়িত গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে নতুন বিনিয়োগ থমকে গেছে। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় মূল্যস্ফীতি, তারল্য সংকট ও অস্থিতিশীল বাজারের যে চ্যালেঞ্জ ছিল, ছয় মাস পরও তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি।

সিপিডির গবেষণায় সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের অর্থনীতির ৩১টি প্রধান ম্যাক্রো অর্থনৈতিক সূচক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২টি সূচকে অগ্রগতি দেখা গেলেও ১৯টি সূচকে অবনতি ঘটেছে।

বিগত ৬ মাসের অর্থনীতি ও সুশাসনের পারফর্ম্যান্স নিয়ে মূল্যায়ন তুলে ধরে সিপিডির দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, নতুন সরকারের কাছে জনগণের প্রধান দুটো প্রত্যাশা ছিল অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু বিগত ৬ মাসের সার্বিক পর্যালোচনায় এই দুটির একটিতেও আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি দেখা যায়নি, বরং দুই প্রত্যাশাতেই তৈরি হয়েছে এক ধরনের অস্বস্তি। বিগত সরকারের কাছ থেকে বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। টাকা সংকট, ব্যাংকিং খাতের করুণ দশা, অনাদায়ী ঋণ, অর্থ পাচার ও রাজস্ব ঘাটতির মতো বড় বড় চ্যালেঞ্জ তাদের সামনে ছিল। তবে এগুলো সামলে অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে আশানুরূপ গতি দেখা যায়নি।

সুশাসন ও প্রশাসনিক দুর্বলতা সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে ড. দেবপ্রিয় বলেন, দুর্নীতি বন্ধ, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, সিন্ডিকেট এবং ‘মব কালচার’ বন্ধ করাই ছিল মূল লক্ষ্য। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের প্রতিশ্রুতি থাকলেও রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উচ্চপদে পদায়ন করা হয়েছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারের পক্ষ থেকে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পরও দেশে মব ভায়োলেন্স অব্যাহত রয়েছে। নারী, শিশু ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে, যার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কার্যকর প্রতিরোধ দেখা যায়নি। গুম ও মানবাধিকার রক্ষায় তৈরি আইনে নানা ত্রুটি ও অসম্পূর্ণতা রয়েছে। বিশেষ করে, আইন ভঙ্গকারীকে দিয়ে অনুসন্ধান করানোর কারণে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হচ্ছে।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আরও জানান, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর কি কি সংকট পেয়েছিল, তার কোনো সুনির্দিষ্ট একীভূত দলিল বা নথিপত্র তৈরি করেনি। ফলে সরকারের মুখে সংকটের কথা শোনা গেলেও তার তথ্যভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুপস্থিত।

অবশ্য সরকারের কিছু পদক্ষেপের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এমপিদের গাড়ি-প্লট না নেওয়ার সিদ্ধান্ত, রামিসা হত্যা মামলার দ্রুত বিচার, এআই দিয়ে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং বাজেটে করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানোর বিষয়গুলো স্বস্তিদায়ক। তবে সার্বিকভাবে অর্থনীতিকে দ্রুত সচল করতে হলে বিচ্ছিন্ন উদ্যোগের বদলে সমন্বিত সংস্কার কর্মসূচির দিকে যেতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশ কাজ করছে : হুমায়ুন কবির

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে দুই দেশ কাজ করছে। দুই দেশ আলোচনার মাধ্যমে সরকারপ্রধানের

সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে দ্রুত একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে দ্রুত একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার

অক্টোবরে উদ্বোধন হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর: বিমানমন্ত্রী

এ বছরের অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও

সংস্কৃতি-পর্যটন উন্নয়নে একক নীতিমালা, হচ্ছে দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ কমিটি

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করে এ খাতের উন্নয়নে একক নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মার্কিন অবরোধের চাপ: জ্বালানির দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি ইরানের

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১৪ মার্চ, সময়সূচি প্রকাশ

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশ কাজ করছে : হুমায়ুন কবির

সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে দ্রুত একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

অক্টোবরে উদ্বোধন হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর: বিমানমন্ত্রী

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

সংস্কৃতি-পর্যটন উন্নয়নে একক নীতিমালা, হচ্ছে দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ কমিটি

সংবিধান যতদিন থাকবে, ততদিন প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে: আইনমন্ত্রী

সরকারের ৬ মাস : ১২ সূচকে স্বস্তি, ১৯টিতে গভীর শঙ্কা

পানি-বর্জ্য ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে মার্কিন বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ১

নুসরাত হত্যা মামলায় খালাস পেলেন ১০ জন

আলোচিত নুসরাত হত্যা মামলায় দুজনের ফাঁসি, ৪ জনের যাবজ্জীবন

সম্পাদক মারুফ কামাল খানের সারাবাংলা কার্যালয় পরিদর্শন

ডিসিকে ৩ লাখ টাকা দিয়ে পোস্টিং নিয়েছি, আমাকে তো টাকা উঠাতে হবে

১৪ বছরের রিফাত নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে

বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

হুমকির পর কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা জোরদার, তদন্তে সিটিটিসি

১৫ হাজার মার্কিন ডলার চাঁদা না দেওয়া চিকিৎসকের ওপর হামলা