ই-পেপার সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩

বাংলাদেশকে নয় ঢাকাকে সভ্য করুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী 

রানা বর্তমান
০১ জুলাই ২০২৬, ১৩:৩৪

ঢাকার অলিগলিতে, ফুটপাতে কিংবা ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা ভিখারী শিশু-কিশোরদের পলিথিনে ডেন্ডি সেবনের দৃশ্য আমাদের নাগরিক সমাজের জন্য গভীর ট্র্যাজেডি। আমরা অনেক সময় এ দৃশ্য দেখে উল্টো দৃষ্টি অন্যদিকে ফিরিয়ে নিই, অথচ এই অবহেলিত শিশুরাই ভবিষ্যতে বড় হয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। আজকের এই ছোট্ট মানুষগুলোই প্রতিকূলতার মধ্যে হারিয়ে কাল হতে পারে চোর, ছিনতাইকারী, কিংবা কোনো কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য।

আমাদের স্বপ্নের ঢাকা শহরকে যদি সত্যিই একটি সভ্য, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ জায়গা রূপান্তর করতে হয়, তবে উন্নয়নের প্রথম পদক্ষেপ হবে এই টোকাই শিশুদের পুনর্বাসন। ঢাকা শহরকে বিশ্বের প্রায় মডেল মহানগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে শুধু রাস্তাঘাট পরিষ্কার করা বা অবকাঠামো উন্নয়নই যথেষ্ট নয়, বরং শহরের প্রতিটি মানুষের মানবিক উন্নয়ন অপরিহার্য।

টোকাই শিশুদের এভাবে রাস্তায় ছেড়ে রাখা কিংবা অবজ্ঞার চোখে দেখা। আমরা কখনোই একটি সুস্থ নাগরিক সমাজ আশা করতে পারি না। এই শিশুদের মূলধারার জীবনে ফিরিয়ে আনতে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষদের একত্রে কাজ করতে হবে। ঢাকা শহরের প্রতিটি শিশুর দায়িত্ব নেওয়া মানে দেশের ভবিষ্যতের সম্পদ রক্ষা করা।

এই শিশুদের চিহ্নিত করে তাদের জন্য নির্দিষ্ট আশ্রয় ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ব্যবস্থা করতে হবে। সেখানে তাদের হাতের কাজ, কারিগরি শিক্ষা এবং নৈতিক মূল্যবোধ শেখানো হবে। যাতে তারা একদিন সমাজের বোঝা না হয়ে দেশের অর্থনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালনের সুযোগ পায়।

শহর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার এই উদ্যোগ তখনই সফল হবে যখন রাস্তায় থাকা টোকাইদের সরিয়ে তাদের একটি সুন্দর ও নিরাপদ ঠিকানায় বসবাসের সুযোগ দেওয়া হবে। প্রতিটি পথশিশুকে দক্ষ জনবল হিসেবে গড়ে তোলার এই উদ্যোগ জাতির মেরুদণ্ড শক্ত করবে। রাষ্ট্র যখন প্রতিটি শিশুর জীবনের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা দেবে, তখন ঢাকা শহর নতুন করে তার মানবিক মর্যাদা খুঁজে পাবে।

সামাজিক বৈষম্য কমিয়ে যখন আমরা এই পথশিশুদের হাতে বই, কলম কিংবা কারিগরি সরঞ্জাম দেব, তখন তারা আমাদের উন্নয়নের অংশীদার হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও নীতিনির্ধারকেরা যদি এমন উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেন, তবে শুধু ঢাকা নয়, পুরো দেশ এক মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় নতুন করে উজ্জীবিত হবে। শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করেই একটি সভ্য শহরের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব।

আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে?

ফুটবলের চেয়ে জনপ্রিয় আর কি কিছু আছে? চার বছর পরপর বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায় নেচে ওঠে

ক্রিকেটের বাইরে ফুটবল, শুটিং ও অন্যান্য খেলায় বাণিজ্যিকীকরণ

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের কথা উঠলেই প্রথমেই আসে ক্রিকেটের নাম। এটি স্বাভাবিকও। গত দুই দশকে ক্রিকেট শুধু

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরঃ কূটনৈতিক সফলতার বার্তা

সাম্প্রতিক বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করায় প্রশংসায় ভাসছে মালয়েশিয়া হাই কমিশন, বাংলাদেশ। বাংলাদেশের

বাবা জীবনের প্রথম নায়ক ও এক বটবৃক্ষ

মানুষের জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকে। মা, বাবা, ভাই-বোন, বন্ধু—প্রত্যেকেই আমাদের জীবনের একটি বিশেষ অংশ।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সিজারিয়ান সংস্কৃতি কমিয়ে স্বাভাবিক প্রসবে জোর দিচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আগামী জুনের মধ্যে ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

ফ্রান্স বনাম স্পেন : ৩৭ হাজার কোটি টাকার সেমিফাইনাল

বেলুচিস্তানে ‘অপারেশন শাবান’ শুরু পাকিস্তানের: ৬ দিনে ১০৯ জন নিহত

দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় ১০০ পরিবারের পাশে কোস্ট গার্ড

ব্যাংককের পানশালায় ভয়াবহ আগুন, অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু

পানি পানের সঠিক নিয়ম জানা আছে তো?

ছবি কেটে দিলেই ধোঁকা খাচ্ছে মেটা

জুলাইয়ের প্রথম ১১ দিনে দেশে এলো ১১৫ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স

১৭ বছরে ঢাকায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টি, আরও পাঁচ দিন ভারি বর্ষণের আশঙ্কা

জুনের শেষ ৮ দিনে ইউরোপে প্রাণ গেল ১০ হাজারের বেশি মানুষের

জনগণের সমর্থন থাকলে কোনো বাধাই বিএনপিকে থামাতে পারবে না

ফিফা কোনো স্বাধীন সংস্থা নয়, রাজনৈতিক হাতিয়ার: ফিলিস্তিনি রাজনীতিবিদ

কুয়েতে মার্কিন বাহিনীর হিমার্স ক্ষেপণাস্ত্র লাঞ্চার ধ্বংসের দাবি ইরানের

নিম-আমড়া গাছের চারা লাগিয়ে বৃক্ষরোপণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

কাফুর অনন্য রেকর্ডের সামনে এমবাপে: টানা তিন বিশ্বকাপ ফাইনালের হাতছানি

হরমুজে অচলাবস্থা, বিশ্ববাজারে লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম

মেসির অভিষেকের পর ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা ম্যাচ হলেও কেন খেলেননি তিনি?

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে ফের পতন, ভরিতে কমেছে ২২১৬ টাকা

ব্যানার-ফেস্টুন নয় প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনায় ৪০ কি.মি. ‘মানবপ্রাচীর’