
চলতি হজ মৌসুমে হজযাত্রীদের বয়সসীমা নিয়ে সিদ্ধান্ত বদল করেছে সৌদি আরব। আগে ১৫ বছরের নিচে কাউকে হজে যেতে না দেওয়ার ঘোষণা দিলেও এখন সেই বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে আবারও ১২ বছর বা তার বেশি বয়সি শিশুরা হজে যেতে পারবে।
বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘এ বছর ১৮ এপ্রিল থেকে হজযাত্রীদের সৌদি আরব গমন শুরু হয়েছে। যে সব হজযাত্রীর বয়স ১২ হতে ১৫ বছরের মধ্যে, সে সব হজযাত্রীর ভিসা সৌদি সরকার কর্তৃক বাতিল করা হয়েছে। সৌদি আরব থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য মোতাবেক বাতিলকৃত ওই হজযাত্রীদের ভিসা পুনরায় সাবমিট করা যাবে। সুতরাং তাদের ভিসা নুসুক মাশায়ের সিস্টেমে পুনরায় সাবমিট করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’
আরব নিউজ জানিয়েছে, সৌদি আরব হজযাত্রীদের ওপর আরোপ করা ১৫ বছরের বয়সসীমা প্রত্যাহার করেছে এবং আগের নীতিতে ফিরে গিয়ে ১২ বছর বা তার বেশি বয়সিদের হজে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে।
খবরে বলা হয়, সৌদি সরকার সম্প্রতি যে নতুন নীতি ঘোষণা করেছিল তা এখন বাতিল করা হয়েছে। যদিও সেই নিয়ম ৩ মে থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। আরব নিউজ জানায়, ১৫ বছরের বয়সসীমার কারণে যেসব হজ ভিসা আগে বাতিল হয়েছিল, সেগুলো এখন নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুনরায় প্রক্রিয়াকরণ করা হবে।
বয়সসীমার কারণে বাতিল হওয়া সব ভিসা আবার বিবেচনায় নেওয়া হবে। হজের মহাপরিচালক দপ্তরও নিশ্চিত করেছে যে সৌদি আরবের হজ ও উমরা মন্ত্রণালয় এই বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করেছে।
এর আগে চলতি বছরের হজে ১৫ বছরের কম বয়সীদের সৌদি আরবে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। এর ফলে ১৫ বছরের নিচে থাকা সব হজযাত্রীর ভিসা বাতিল করা হয়। তখন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, আসন্ন হজ উপলক্ষে আগামী ২৭ মে পর্যন্ত ১৫ বছরের কম বয়সি কোনো যাত্রীকে বহন করে কোনো ফ্লাইট সৌদি আরব আসতে পারবে না। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হজযাত্রীদের জমা দেওয়া অর্থ পুরোপুরি ফেরত দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছিল সৌদি সরকার।
আমার বার্তা/এমই

