
প্রায় এক দশকের ভালোবাসার সম্পর্ককে চূড়ান্ত রূপ দিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও জর্জিনা রদ্রিগেজ। গত ১১ আগস্ট পাঁচ সন্তান ও ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে অনাড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে বিয়ে করেন তারা। রোনালদো তার জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। আর তার বিয়ে এখনও আলোচনার কেন্দ্রে আছে। এমন সময়ে জর্জিনার সঙ্গে তার বিয়ের আর্থিক শর্তের বিষয় উঠে এলো। বিয়ের সনদের বিবরণ অনুযায়ী, ‘সম্পত্তি পৃথকীকরণ’ কাঠামোর অধীনে বিয়ে করেছেন দুজন।
মেক্সিকান প্রকাশনা এন পারেজা-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, দম্পতির আনুষ্ঠানিক নিবন্ধন নথি থেকে জানা যায় যে, তাদের বিয়ে ‘সম্পত্তি পৃথকীকরণ’ ব্যবস্থার অধীনে সম্পন্ন হয়েছিল। এই ধারাতে নিশ্চিত হওয়া গেছে, রোনালদো ও জর্জিনা উভয়েই কোনোরকম পারস্পরিক অংশীদারিত্ব ছাড়াই তাদের নিজ নিজ সম্পদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবেন।
পর্তুগিজ আইন অনুযায়ী, এই ধরনের চুক্তির কারণে রোনালদো ও জর্জিনা তাদের বিয়ের আগে বা হওয়ার সময় সম্পদ, আয় ও বিনিয়োগের ওপর তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। এমনকি ভবিষ্যতে বিচ্ছেদ হলেও তাদের সম্পত্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভাগাভাগি হয়ে যাবে না। মানে রোনালদো তার চুক্তি, এন্ডোর্সমেন্ট ও ব্যবসা, এমনকি সৌদি প্রো লিগ ও হোটেল চেইন পেস্তানা সিআরসেভেন থেকে যা আয় করবেন, সবই থাকবে তার।
পর্তুগিজ ম্যাগাজিন টিভি গুইয়া এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিয়ের নথিতে কিছু শর্ত রয়েছে, যেগুলো তারা বিচ্ছেদের আবেদনের সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হবে। প্রথম শর্ত অনুযায়ী, রোনালদোর কাছ থেকে প্রতি মাসে এক লাখ ইউরো ভাতা পাবেন জর্জিনা। আরেক শর্ত বলছে, মাদ্রিদে লা ফিনচায় অবস্থিত এই দম্পতির বিলাসবহুল বাড়িটির পূর্ণ মালিকানা পাবেন তিনি। এই সম্পত্তির বর্তমান মূল্য ৫০ লাখ ডলারের উপরে।
একই রিপোর্টে বলা হয়েছে, দুজনের বিয়েতে পাঁচ সন্তান ছাড়াও অন্য ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষী হিসেবে ছিলেন রোনালদোর ঘনিষ্ঠ বন্ধু মিগুয়েল পাইসাও ও জর্জিনার বোন ইভানা রদ্রিগেজ।

