
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায়ের পর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রবেশ করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরপর সকাল সোয়া ৯টা থেকে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য প্রধান ফটক খুলে দেওয়া হয়।
এই সময় রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ একত্রিত হন। এতে অংশ নেন সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধানমন্ত্রী অতিথিদের সঙ্গে হাত মেলান, কোলাকুলি করেন এবং অনেকের সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কথা বলেন। উপস্থিত অনেকেই প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগপ্রবণ হন, কেউ কেউ তাঁর সঙ্গে সেলফিও তোলেন। তবে ভিড়ের কারণে সব আমন্ত্রিত অতিথিই ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। শুধু কার্ডধারীদেরকে ভেতরে প্রবেশের সুযোগ দেন এসএসএফ সদস্যরা।
লোকজনের উপস্থিতি প্রধান ফটকের সামনের সড়ক পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এবং পাঁচটি সিরিয়াল ধরে কাকরাইল ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় পর্যন্ত দেখা গেছে ভিড়।
প্রধানমন্ত্রী অতিথিদের সঙ্গে কথা বলে খোঁজখবর নেন। এই সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, এছাড়া বিএনপির সিনিয়র নেতারা। অতিথিদের জন্য ছিল বিশেষ আপ্যায়নের ব্যবস্থা।
এভাবে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও অতিথিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের সংক্ষিপ্ত মিলনমেলা ঈদের দিনটিকে আরও অর্থবহ করে তোলে।

