ই-পেপার বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩

সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে, হেসেখেলে চলে গেলে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে

আমার বার্তা অনলাইন:
৩১ মে ২০২৬, ১৯:৩৪
রাজধানীর কেআইবি মিলনায়তনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নির্দেশিত পথে দেশ পরিচালনা এবং নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সফল সরকার গঠন করাই তার প্রতি পরিপূর্ণ সম্মান প্রদর্শনের একমাত্র পথ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৩১ মে) বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, আমাদের সামনে একটি অত্যন্ত কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। একই সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময় অপেক্ষা করছে। এই গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন সময়ে হেসেখেলে চলে গেলে খুব বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। ক্ষতি দেশের হবে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হবে।

তিনি বলেন, শহীদ জিয়া যেভাবে দেশকে গঠন করতে চেয়েছিলেন, শহীদ জিয়া যেভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন, আমরা সে ধারায় চেষ্টা করছি দেশকে আজকে পরিচালনা করতে। বর্তমান সরকার একটি রাজনৈতিক সরকার অর্থাৎ একটি রাজনৈতিক দল যার নীতি আছে, যার আদর্শ আছে, যার পরিকল্পনা বা ম্যানিফেস্টো আছে। যে পরিকল্পনা বা ম্যানিফেস্টো আমরা দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরেছিলাম ১২ তারিখের নির্বাচনের আগে এবং দেশের মানুষ এ ম্যানিফেস্টো বা পরিকল্পনা দেখেছে, শুনেছে, বুঝেছে এবং ১২ তারিখে তারা তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ধানের শীষে ভোট দিয়ে সেই দায়িত্ব দিয়েছে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য।

পিতার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শৈশবে একদিন তিনি (তারেক রহমান) বাড়ির একজন কর্মচারীকে অপমানজনক ভাষায় সম্বোধন করলে শহীদ জিয়া বিষয়টি জানতে পারেন এবং তাকে কান ধরে সেই কর্মচারীর কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করেন। এই ঘটনাটি আমাদের সামাজিক ও পারিবারিক শিক্ষার একটি বিষয়। দেশে ফেরার পরে এ রকম মূল্যবোধের অভাব অনুভব করেছি। মুরব্বিদের শ্রদ্ধা করা, অসহায়কে সহযোগিতা করা, মানুষের সঙ্গে বিনয়ীভাবে কথা বলা- এই মূল্যবোধগুলো আগামী প্রজন্মের মধ্যে কীভাবে পৌঁছে দেওয়া যায়, সে বিষয়ে আমি তথ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছি।

শহীদ জিয়ার আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ১৯৮৬ সালে সৌদি আরবে ওমরা পালনকালে এক ইন্দোনেশীয় ব্যক্তি বাংলাদেশ পরিচয় শুনে সঙ্গে সঙ্গে জিয়াউর রহমান বলে ওঠেন। মানুষ শহীদ জিয়া বা বাংলাদেশ বললে দুটোকে একসঙ্গেই বুঝতো। সন্তান হিসেবে পিতার জন্য সেদিন আমি গর্ব অনুভব করেছিলাম।

বর্তমান সরকারের দায়িত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশের ৫২ শতাংশ ভোটার ধানের শীষে ভোট দিয়ে যে ইশতেহারের পক্ষে রায় দিয়েছে, সেটি আর শুধু বিএনপির ইশতেহার নয়, এটি এখন জনগণের ইশতেহার। খাল খনন কর্মসূচি, শিক্ষার প্রসার, গার্মেন্ট শিল্পের আদলে নতুন শিল্প বিপ্লব, বন্ধ কল-কারখানা চালু, নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড — শহীদ জিয়ার প্রতিটি পথনির্দেশিকা আমাদের ইশতেহারে গ্রহণ করা হয়েছে।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ২১৪ জন এমপি বা ৫০ জন মন্ত্রী একা পরিশ্রম করলেই কার্যক্রম সফল হবে না। সারাদেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দলসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা যখন মাঠে নেমে কাজ করবেন তখনই সফলতা আসবে।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সফল আন্দোলন করেছিলাম। ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সফল নির্বাচন পার হয়ে এসেছি। এখন আমাদের ইশতেহার বাস্তবায়নের মাধ্যমে সফল সরকারের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারলেই শহীদ জিয়ার প্রতি পরিপূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করতে সক্ষম হবো।

আমার বার্তা/এমই

পিতা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, অথচ জামায়াত এমপি জন্মেছেন ১৯৮১ সালে!

জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বিতর্কিত বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে

সংবিধান সংশোধন নয়, সংস্কারে বিশেষ কমিটি চায় বিরোধী দল

বিদ্যমান সংবিধানে আংশিক সংশোধনের পরিবর্তে সামগ্রিক সংস্কারের লক্ষ্যে সংসদীয় বিশেষ কমিটি চায় বিরোধী দল। বিরোধীদলীয়

আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র কখনোই একসঙ্গে যায় না: মির্জা ফখরুল

আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র কখনো একসঙ্গে যায়নি এবং যাবেও না বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার,

সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে কী করে বাজেট বাস্তবায়ন হবে

বাংলাদেশে ঘাটতি বাজেটের একটি সংস্কৃতি আছে এবং এই ঘাটতি পূরণ হয় অনেক বেশি হারে সুদে
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্মার্ট গ্রীন সিটি গড়ার উদ্যোগ নিয়েছেন কবীর আহমেদ ভূঁইয়া

সংসদে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বকাপ ম্যাচে যে কারণে মাটিতে রাখা হয়নি সৌদি আরবের পতাকা

একদিনে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

মাদক, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাং দমনে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হঠাৎ কেন ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের জন্য টাকা নিচ্ছে মেটা

মিয়ানমারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে রোহিঙ্গা প্রত‌্যাবাসন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মাদক কারবারি, চাঁদাবাজদের গ্রেফতারের নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের

সামান্য বরাদ্দে সরকারের ২০৩০ সালের জ্বালানি রূপান্তর লক্ষ্য অসম্ভব

তিস্তায় আরেকটি ব্যারাজ নির্মাণে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

সরকারি কলেজ-মাদ্রাসায় অধ্যাপক পদে শূন্যপদের তথ্য চেয়েছে মাউশি

দেশের ৭৫টি কারাগারে ধারণক্ষমতার ১.৭ গুণ বন্দি আটক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বেগম রোকেয়া পদক দিতে শিক্ষা খাতের যোগ্য নারীদের খুঁজছে সরকার

পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য কূটনৈতিক সম্পর্কের কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষা

ব্যাটিং ব্যর্থতায় অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৫ উইকেটে হারল বাংলাদেশ

ইংলিশ চ্যানেলে রাশিয়ার গুলিবর্ষণ, বেপরোয়া বললেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

চালের দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি বর্তমানে যথেষ্ট স্থিতিশীল: বাণিজ্যমন্ত্রী

৫ বছরের মধ্যে কর জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে

স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে: তথ্যমন্ত্রী

সীমান্তে হত্যা মানবাধিকার লঙ্ঘন, বিএসএফকে জোরালো প্রতিবাদ