ই-পেপার বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩

চুক্তি রক্ষা করা হলে বিনিয়োগ আসে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

আমার বার্তা অনলাইন
২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৩:২৬

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন বলেছেন, পূর্বানুমানযোগ্যতা ও চুক্তির নিশ্চয়তা সফল বাণিজ্যিক সম্পর্কের ভিত্তি। আস্থা তৈরির জন্য চুক্তির প্রতি সম্মান দেখানো জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর আস্থা থাকা দরকার যে বাংলাদেশের সরকার ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে করা চুক্তিগুলো সম্মান করা হবে এবং ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়িত হবে। চুক্তি রক্ষা করা হলে বিনিয়োগ আসে, আর তা না হলে বিনিয়োগকারীরা অন্যত্র সুযোগ খোঁজেন।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল শেরাটনে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) আয়োজিত এক মধ্যাহ্ন ভোজসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, তিনি আজ এখানে উপস্থিত থাকতে পেরে আনন্দিত, কারণ যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক সম্পর্ক এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অংশীদার। তবে এখন দুই দেশেরই এই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথকে নতুনভাবে রূপ দেওয়ার একটি অভূতপূর্ব সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র এমন কিছু আগের নীতি থেকে সরে আসছে, যেগুলো অসামঞ্জস্যপূর্ণ বাণিজ্য সম্পর্ককে টিকিয়ে রেখেছিল এবং এর ফলে অনেক ক্ষেত্রে অন্যায্য মুনাফা ও অস্বচ্ছ বাজার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এর পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্র এখন এমন একটি মডেলের দিকে এগোচ্ছে, যা দুই দেশের জনগণের জন্য পারস্পরিক সুফল বয়ে আনবে।

এই নীতিতে অনুদানের পরিবর্তে বাণিজ্যকে, সহায়তার পরিবর্তে বিনিয়োগকে এবং প্রকৃত অংশীদারিত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যা উভয় দেশের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। তিনি সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিওর বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন সহায়তানির্ভর ধারা থেকে বিনিয়োগনির্ভর কৌশলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এই পদ্ধতির ভিত্তি হলো এমন একটি উপলব্ধি-টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তখনই সম্ভব, যখন অংশীদারিত্ব ভালো চর্চাকে উৎসাহিত করে এবং এমন বাণিজ্যিক সুযোগ তৈরি করে যা সবার জন্য সুফল বয়ে আনে।

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্যের সম্ভাবনা

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের জন্য এটি একটি অসাধারণ সুযোগের সময়। ১৭ কোটিরও বেশি জনসংখ্যা, তরুণ ও গতিশীল কর্মশক্তি এবং দক্ষিণ এশিয়ায় কৌশলগত অবস্থানের কারণে দেশটি একবিংশ শতাব্দীতে একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।

তিনি জানান, সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে ‘রেসিপ্রোকাল ট্রেড এগ্রিমেন্ট’ (এআরটি) সম্পন্ন হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

তার ভাষায়, এ চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের জন্য ১৯ শতাংশ প্রতিযোগিতামূলক শুল্ক সুবিধা বজায় থাকবে, যেখানে চুক্তি না থাকলে তা ৩৫ শতাংশ হতো। একইসঙ্গে বাংলাদেশের শুল্ক ও অশুল্ক বাধা কমিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি উৎসাহিত করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করে কিন্তু প্রধানত অন্য দেশ থেকে আমদানি করে, তাদের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হয়, যা টেকসই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে বাধা সৃষ্টি করে। তার মতে, ‘আপনি যদি আমাদের কাছে বিক্রি করতে চান, তাহলে আমাদের কাছ থেকেও কেনার চেষ্টা করতে হবে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানিপণ্যের ওপর মোট করভার অনেক ক্ষেত্রে ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছায়, পাশাপাশি গমের ক্ষেত্রে রেডিয়েশন পরীক্ষা এবং কীটনাশক সংক্রান্ত অতিরিক্ত পরীক্ষা প্রক্রিয়া রয়েছে-যা তিনি অপ্রচলিত ও কঠোর অশুল্ক বাধা হিসেবে উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অঙ্গীকার

রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ ৩৫০ কোটি ডলারের যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য-গম, সয়াবিন, তুলা ও ভুট্টা-ক্রয়ের অঙ্গীকার করেছে। তিনি বলেন, এসব পণ্য উচ্চমানের এবং বাংলাদেশ সরকার ও বেসরকারি খাত তাদের মানের বিষয়ে ইতিবাচক মত দিয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, অন্য দেশ থেকে কেনা গমে যেখানে ২০ শতাংশ পর্যন্ত নষ্ট হওয়ার হার ছিল, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গমে তা ২.৫ শতাংশ। পাশাপাশি প্রোটিনের মাত্রা ১১.৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৪ শতাংশ হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আগামী ১৫ বছরে বাংলাদেশ ১৫ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি পণ্য আমদানির অঙ্গীকার করেছে, যা বর্তমান এলপিজি আমদানি প্রবণতা অব্যাহত রাখলেই পূরণ সম্ভব হবে। রাষ্ট্রদূত বলেন, এসব কোনো সহায়তা প্যাকেজ নয়; এগুলো বাণিজ্যিক চুক্তি, যা দুই দেশের জন্যই কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করবে।

তিনি আরও জানান, এআরটি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নেরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা ব্যবসায়ী, নীতিনির্ধারক এবং ভোক্তাদের জন্য ইতিবাচক হবে।

ব্যবসায়িক পরিবেশ ও সংস্কার

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশে ব্যবসা করা দীর্ঘদিন ধরেই চ্যালেঞ্জিং, যা স্থানীয় ও বিদেশি-উভয় কোম্পানির অভিজ্ঞতায় প্রতিফলিত। তিনি বলেন, এআরটি চুক্তি কোনো একপক্ষীয় দাবি নয়, বরং এটি দুই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের একটি যৌথ অঙ্গীকার। সফল বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজন পূর্বানুমেয় নীতি, স্থিতিশীল নিয়ম এবং স্বচ্ছতা। পাশাপাশি পুঁজি ও ডেটা চলাচলে বাধা থাকা উচিত নয়।

তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়িক প্রক্রিয়াকে আধুনিকায়ন করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে- ব্যবসা নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং সহজীকরণ, কাস্টমস প্রক্রিয়ার ডিজিটালাইজেশন, বস্তুনিষ্ঠ নিয়ন্ত্রক কাঠামো নিশ্চিত করা, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী শ্রম ও পরিবেশ নীতি বাস্তবায়ন।

তিনি বলেন, জোরপূর্বক শ্রম প্রতিরোধ এবং শ্রম আইন শক্তিশালী করার মতো পদক্ষেপ বাংলাদেশকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আরও সক্ষম করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারিত্বের দৃষ্টিভঙ্গি

রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্র স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা এবং আইনের শাসনের ভিত্তিতে ব্যবসা পরিচালনায় বিশ্বাস করে। তারা কোনো ‘ঋণ ফাঁদের কূটনীতি’ বা অকার্যকর প্রকল্পে জড়িত নয়, বরং বাস্তব ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো উন্নত প্রযুক্তি, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

জ্বালানি, প্রযুক্তি ও অবকাঠামো খাত

রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১৮০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, শেভরন, এক্সেলারেট এনার্জি ও জিই ভারনোভা ইতোমধ্যে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বাংলাদেশের অর্ধেকেরও বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহে পরোক্ষভাবে অবদান রাখছে।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি রপ্তানিকারক এবং বাংলাদেশকে জ্বালানি বৈচিত্র্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

প্রযুক্তি খাতে তিনি বলেন, স্টারলিংক, গুগল পে, ওরাকল, মাইক্রোসফট ও অগমেডিক্স ইতোমধ্যে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করেছে।

তিনি জানান, বাংলাদেশে এখনো প্রায় ৭০ শতাংশ আর্থিক লেনদেন নগদে হয়, যা ডিজিটাল ফাইন্যান্স সম্প্রসারণের বড় সুযোগ তৈরি করছে। ভিসা ও মাস্টারকার্ডের মতো কোম্পানিগুলো এই খাতে বড় সম্ভাবনা দেখছে।

অবকাঠামো ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির কারণে আধুনিক অবকাঠামোর চাহিদা বাড়ছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র অংশীদার হতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, রেল, বন্দর, বিমান চলাচল, মহাসড়ক ও নগর পরিবহন খাতে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো প্রযুক্তি ও দক্ষতার মাধ্যমে সহায়তা করতে পারে।

তার মতে, এই সহযোগিতা শুধু প্রকল্প বাস্তবায়ন নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার বিষয়। তিনি শেষ পর্যন্ত বলেন, চুক্তি রক্ষা করা হলে বিনিয়োগ আসে-এটাই টেকসই অর্থনৈতিক সম্পর্কের মৌলিক বাস্তবতা।

রূপপুর প্রকল্পে ৯০% ঋণ রাশিয়ার, ২৮ বছরে পরিশোধ করবে বাংলাদেশ

আর্থিক দিক থেকে দেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মা তীরবর্তী এই

বেলারুশের কৃষিখাতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ

বেলারুশের কৃষিখাতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বেলারুশ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লা আলী

বিরোধী দলের অসুস্থ এমপি রবিউল বাশারের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য হাফেজ রবিউল বাশার।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রূপপুর প্রকল্পে ৯০% ঋণ রাশিয়ার, ২৮ বছরে পরিশোধ করবে বাংলাদেশ

বেলারুশের কৃষিখাতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ

জুলাই থেকে বিনামূল্যে ড্রেস, ব্যাগ ও জুতা পাবেন শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নতুন কুঁড়িতে আট খেলায় ১ লাখ ৬০ হাজার কিশোর-কিশোরী

বিশ্বকাপে তারকাদের নিষেধাজ্ঞামুক্ত রাখতে নিয়ম বদলে ফেলল ফিফা

বিরোধী দলের অসুস্থ এমপি রবিউল বাশারের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

খাল খননে বাড়বে কর্মসংস্থান, ফিরবে প্রাকৃতিক ভারসাম্য: পানিসম্পদমন্ত্রী

ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি যেন ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের উন্নতি না হয়

শ্রম আইন সংশোধন নিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূতের আলোচনা

মৌলিক সুবিধা দেশের সব অংশেই গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী

অস্ত্র-ড্রোনসহ ‘উগ্রবাদী সংগঠনের’ ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁন

হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ধামরাইয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান, ৫টি ইট ভাটাকে ত্রিশ লক্ষ টাকা জরিমানা 

সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাতকে পোশাক খাতের মত সুযোগ-সুবিধা দেবো: অর্থমন্ত্রী

রাজনীতি শিখুন, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে লাভ নেই: বিরোধী দলকে সেতুমন্ত্রী

বৃষ্টিতে ফসল হারানো কৃষকদের পাশে সরকার, বিশেষ সহায়তার ঘোষণা

চুক্তি রক্ষা করা হলে বিনিয়োগ আসে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

চাঁদপুর-নীলফামারীতে মেডিকেল কলেজ-হাসপাতাল নির্মাণে উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রী