
গজারিয়ায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনা ক্রমেই জোরদার হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে আলোচনায় উঠে এসেছে ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা নেতা মোজাম্মেল হক মুন্নার নাম। দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি ইতোমধ্যে এলাকায় একটি পরিচিত মুখ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
জানা গেছে, মুন্না পড়াশোনা করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়-এ। সেখানে অধ্যয়নকালেই তিনি ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হন এবং দক্ষ সংগঠক হিসেবে পরিচিতি পান। পরবর্তীতে তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদল-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। দলীয় সূত্রের দাবি, তার নেতৃত্বে জেলা, থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম সক্রিয় ও শক্তিশালী হয়।
এরপর তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবদল-এর সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বর্তমানে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, সংগঠনকে গতিশীল করতে কমিটি পুনর্গঠন ও মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে তিনি ভূমিকা রেখেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, আসন্ন গজারিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে মোজাম্মেল হক মুন্নার নামও আলোচনায় থাকলেও তিনি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করেননি।
স্থানীয় ভোটারদের একাংশ মনে করছেন, তরুণ নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অবস্থান, সমঝোতা ও জোটের সমীকরণও চূড়ান্ত ফলাফলে বড় ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
সব মিলিয়ে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে ইতোমধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের কর্মসূচি, জনসম্পৃক্ততা ও সাংগঠনিক শক্তির ওপরই নির্ভর করবে আগামী দিনের রাজনৈতিক সমীকরণ-এমনটাই বলছেন পর্যবেক্ষকরা।

